Skip to main content

পৃথিবীর কাল্পনিক রেখাসমূহ |

 ::: সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে কোনো একটি স্থানকে নির্দিষ্ট করতে হলে বা এর অবস্থান জানতে হলে আমাদের সবার জাগে যে বিষয়গুলো জানতে হবে তা হলো অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা। দ্রাঘিমারেখার অবস্থান থেকে কোনো স্থানের সময় জানা যায়। অক্ষরেখার সাহায্যে যেমন নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থান জানা যায় তেমনি মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে অবস্থান জানা যায়।  


°°অক্ষরেখা (Latitude)

পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে। এই অক্ষের উত্তর- প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে। দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে। বিষুবরেখা নিরক্ষরেখা, নিরক্ষবৃত্ত, মহাবৃত্ত, গুরুবৃত্ত প্রভৃতি নামেও পরিচিত। বিষুবরেখা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরভাগ, আফ্রিকার মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। বিষুব রেখার উপর অবস্থিত দেশসমূহ- ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, গ্যাবন, কঙ্গো, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, উগান্ডা, কেনিয়া, সোমালিয়া, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া এবং কিরিবাতি। নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। 


নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলে। এই নিরক্ষরেখাকে ০° ধরে উত্তর দিকে ও দক্ষিণ দিকে দুই মেরু পর্যন্ত ৯০ ডিগ্রি বা এক সমকোণ ধরা হয়। পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলে। নিরক্ষরেখার সমান্তরাল যে রেখাগুলো রয়েছে সেগুলো হলো অক্ষরেখা। এই অক্ষরেখাগুলো আসলে কল্পনা করা হয়েছে। এদের সমাক্ষরেখা বলে। নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে (Angular Distance) ঐ স্থানের অক্ষাংশ বলে। নিরক্ষরেখার উত্তর দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের অক্ষাংশকে উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের অক্ষাংশকে দক্ষিণ অক্ষাংশ বলে। নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ ০°। উত্তর মেরু বা সুমেরুর অক্ষাংশ ৯০° উত্তর এবং দক্ষিণ মেরু বা কুমেরুর অক্ষাংশ ৯০° দক্ষিণ। একই গোলার্ধের একই অক্ষাংশ মানসমূহের সংযোগ রেখাকে অক্ষরেখা বলে ।


°°অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude)

আমরা জানি পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০°। অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদি মাঝখান দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কেটে নেই তাহলে এর মধ্যে আমরা পৃথিবীর ঠিক মধ্যবিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০০) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ। যেমন- নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব বা উৎপন্ন কোণ ৯০°। এটাই হলো উত্তর মেরু অক্ষাংশ। এভাবে দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশও ৯০° ।


নিরক্ষরেখার উত্তর দিকে অবস্থিত কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশকে উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের অক্ষাংশকে দক্ষিণ অক্ষাংশ বলে। প্রতি ডিগ্রি অক্ষাংশকে আবার মিনিট (') ও সেকেন্ডে (") ভাগ করা হয়। এখানে একটা কথা লক্ষ রাখতে হবে সময়ের মিনিট (') ও সেকেন্ড (") এবং দূরত্বের মিনিট (') ও সেকেন্ড (") একেবারেই আলাদা দুটি বিষয়। কয়েকটি সমাক্ষরেখা খুব বিখ্যাত। এদের একটি ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ, একে কর্কটক্রান্তি বলে। অপরটি ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ, একে বলে মকরক্রান্তি। ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে কুমেরুবৃত্ত। বিষুবরেখাকে মহাবৃত্ত বা পুরুবৃত্ত বলে ।

অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। সেগুলো হলো-


১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে : যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০° - (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি ± বিষুবলম্ব)।


•বিষুবলম্ব: সূর্য যেদিন যে অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় সেটাই সেদিনের সূর্যের বিষুবলম্ব। কোনো একদিন দক্ষিণ গোলার্ধে মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি ৫০° এবং বিষুবলম্ব ১২° দক্ষিণ হলে ঐ স্থানের অক্ষাংশ হবে-
অক্ষাংশ - ৯০° - (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি + বিষুবলম্ব) = ৯০°- (৫০° + ১২° ) = ৯০° - ৬২° = ২৮° দক্ষিণ।
স্থানটি যদি উত্তর গোলার্ধে হয় তবে উত্তরবাচক বিষুবলম্ব যোগ করতে হবে এবং দক্ষিণবাচক বিষুবলম্ব বিয়োগ করতে হবে। দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণবাচক বিষুবলম্ব যোগ এবং উত্তরবাচক বিষুবলম্ব বিয়োগ করতে হবে।


২। ধ্রুবতারার সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয়: ধ্রুবতারার উন্নতি জেনে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। এর সাহায্যে শুধু উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। নিরক্ষরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি ০° এবং উত্তর মেরুতে ঠিক মাথার উপর ধ্রুবতারার উন্নতি ৯০° হয়। সুতরাং উত্তর গোলার্ধে কোনো স্থানের অক্ষাংশ ধ্রুবতারার উন্নতির সমান।


°°দ্রাঘিমারেখা (Longitude)

নিরক্ষরেখাকে ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করে প্রত্যেক ভাগবিন্দুর উপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে সকল রেখা কল্পনা করা হয়েছে সেগুলোই হলো দ্রাঘিমারেখা। এ রেখাগুলো পৃথিবীর পরিধির অর্ধেকের সমান। অর্থাৎ এক-একটি অর্ধবৃত্ত। আমরা পূর্বেই জেনেছি অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো হলো কাল্পনিক। দ্রাঘিমারেখা নিয়ে আলোচনা করতে হলে আমাদের জানতে হবে মূল মধ্যরেখার অবস্থান। যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে তাকে মূল মধ্যরেখা বলে। গ্রিনিচের দ্রাঘিমা ০°। গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমা বলে। পৃথিবীর পরিধি দ্বারা উৎপন্ন কোণ ৩৬০°। মূল মধ্যরেখা, এই ৩৬০° কে ১° অন্তর অন্তর সমান দুই ভাগে অর্থাৎ পূর্ব ও পশ্চিমে ১৮০° করে ভাগ করেছে। অক্ষাংশের ন্যায় দ্রাঘিমাকেও মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করা হয়েছে। পৃথিবী গোল বলে ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমা ও ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই মধ্যরেখায় পড়ে। গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে ৩০° পূর্বে যে দ্রাঘিমারেখা তার উপর উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত সকল স্থানের দ্রাঘিমা ৩০° পূর্ব দ্রাঘিমা ।


°°দ্রাঘিমা নির্ণয় ও ব্যবহার

দ্রাঘিমা নির্ণয়ের দু'টি পদ্ধতি রয়েছে।

১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য ও

২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা।


১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য : কোনো স্থানে মধ্যাহ্নে যখন সূর্য ঠিক মাথার উপর আসে সেখানে দুপুর ১২টা ধরে প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্যে দ্রাঘিমার পার্থক্য হয় ১০। এখন আমরা সহজেই হিসাব করতে পারি যদি কোনো স্থানে দুপুর ১২টা হয় সেখান থেকে ১০° পূর্বের কোনো স্থানের সময় হবে ১২টা + (১০ × ৪) মিনিট বা ১২টা ৪০ মিনিট। আবার যদি সে স্থানটি ১০° পশ্চিম দিকে হয় তাহলে সময় হবে ১২টা - (১০×৪) মিনিট বা ১১টা ২০ মিনিট। এভাবে মধ্যাহ্নের সময় অনুসারে দিনের অন্যান্য সময় নির্ধারণ করা যায়।


২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা : গ্রিনিচের দ্রাঘিমা শূন্য ডিগ্রি (০০) ধরা হয়। এখন আমরা যদি গ্রিনিচের সময় এবং অন্য কোনো স্থানের সময় জানতে পারি তাহলে দুই স্থানের সময়ের পার্থক্য অনুসারে প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্যে ১০ দ্রাঘিমার পার্থক্য ধরে ঐ স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করতে পারি। গ্রিনিচের পূর্ব দিকের দেশগুলো সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের চেয়ে এগিয়ে থাকে এবং গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে পিছিয়ে থাকে। বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ১০° পূর্বে অবস্থিত বলে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘণ্টা এগিয়ে। এভাবে দ্রাঘিমার সাহায্যে সময় এবং সময়ের মাধ্যমে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।


°°গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ (Important lines)


•নিরক্ষরেখা: পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে। নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)।


•কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of cancer): ২৩° ৩০' উত্তর অক্ষাংশ রেখাকে বলা হয় কর্কটক্রান্তি রেখা। রেখাটি উত্তর আমেরিকার দক্ষিণভাগ, আফ্রিকার উত্তর ভাগ এবং এশিয়ার দক্ষিণাংশ দিয়ে অতিক্রম করেছে। যে সকল দেশের উপর দিয়ে রেখাটি অতিক্রম করেছে, সেগুলো হলো- মেক্সিকো, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ (যুক্তরাষ্ট্র), বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি, আলজেরিয়া, নাইজার, চাঁদ, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ (মধ্যভাগ দিয়ে), মায়ানমার, চীন এবং তাইওয়ান।


•মকরক্রান্তি রেখা (Tropic of capricon): ২৩° ৩০' দক্ষিণ অক্ষাংশ রেখাকে বলা হয় মকরক্রান্তি রেখা। রেখাটি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ ভাগ, আফ্রিকার দক্ষিণভাগ এবং ওশেনিয়া মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। যে সকল দেশের উপর দিয়ে রেখাটি অতিক্রম করেছে, সেগুলো হলো- ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, আর্জেন্টিনা, চিলি, টোঙ্গা, ফিজি, অস্ট্রেলিয়া, মাদাগাস্কার, মোজাম্বিক, দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, কুক দ্বীপপুঞ্জ (নিউজিল্যান্ড), নিউ ক্যালিডোনিয়া (ফ্রান্স)।


•সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত : উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে ।



°°আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date line)

যে রেখা অতিক্রম করলে দিন এবং তারিখের পরিবর্তন হয়, তাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে। এ রেখা অতিক্রম করে পূর্ব থেকে পশ্চিমে গেলে একদিন বিয়োগ করতে হয়। পক্ষান্তরে পশ্চিমে থেকে পূর্বে গেলে একদিন যোগ করতে হয়। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা মূলত ১৮০° দ্রাঘিমারেখা হলেও কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি আঁকাবাঁকা। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা সম্পূর্ণভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের জলভাগের ওপর অবস্থিত। ১৮০° রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্ব অংশ, অ্যালিউসিয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে গেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাকে বেরিং প্রণালীতে ১২° পূর্ব, অ্যালিউসিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে ৭° পশ্চিম এবং ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের কাছে ১১° পূর্ব দিকে বাঁকানো। রেখাটি আঁকাবাঁকা না করলে এক দ্বীপের দুই পার্শ্বে সময়ের পার্থক্য হত একদিন। স্থানীয় লোকদের সময়ের হিসেবে অসুবিধা দূর করার জন্য রেখাটি আঁকাবাঁকা করে শুধু জলভাগের ওপর দিয়ে টানা হয়েছে।


°°প্রতিপাদ স্থান (The antipodes)

আমরা জানি পৃথিবী গোল তাই এর কোনো একটি স্থানের বিপরীত দিকে অন্য কোনো একটি স্থান রয়েছে। ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কোনো কল্পিত ব্যাস ভূকেন্দ্র ভেদ করে অপরদিকে ভূপৃষ্ঠকে যে বিন্দুতে স্পর্শ করে সেই বিন্দুকে প্রথম বিন্দুটির প্রতিপাদ স্থান বলে । কোনো বিশেষ দ্রাঘিমায় অবস্থিত স্থান সেই স্থানের বিপরীত দ্রাঘিমারেখায় অবস্থিত হয়। অর্থাৎ দুই দ্রাঘিমার যোগফল হবে ১৮০°। যেহেতু দুই দ্রাঘিমার দূরত্ব হবে ১৮০° সেহেতু দুটির মধ্যে সময়ের পার্থক্য হবে (১৮০ × ৪ মিনিট ৭২০ মিনিট বা ১২ ঘণ্টা) = ১২ ঘণ্টা। ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্গত চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।


•গ্রীনিচ মানমন্দির: গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত। এই মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে তাকে মুল মধ্যরেখা বলে। এ রেখার মান 0°। এই রেখার সময়কে প্রমাণ সময় ধরে পৃথিবীর অন্যান্য সময় গণনা করা হয়।



°°দিবালোক সংরক্ষণ সময়সূচি

•উইলিয়াম উইলেট ডে-লাইট সেভিং টাইম ধারনার প্রবর্তক।

•১৯১৬ সালে যুক্তরাজ্যে সর্বপ্রথম ডে-লাইট সেভিং টাইম চালু হয়।

•বাংলাদেশে প্রথমবারের মত ডে-লাইট সেভিংস সিস্টেম প্রবর্তন করা হয়েছে। দিনের বেলা সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে রাতের বেলা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ রেখে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ঘড়ির কাঁটা ১ ঘন্টা এগিয়ে নেওয়া হয় ১৯ জুন ২০০৯। ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ ঘড়ির কাঁটা পুনরায় ১ ঘন্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়।

•বর্তমানে বাংলাদেশ প্রমাণ সময় গ্রিনিচ সময় হতে ৬ ঘন্টা এগিয়ে (GMT+6)।

 

Comments

Popular posts from this blog

বিগত ১০ বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ১০০০ Vocabulary.

 =============================== 1: Fortuitous -আকস্মিক 2: Inherent – স্বাভাবিক 3: Legible -সহজপাঠ্য 4: Indelible -অমোচোনীয় 5: Endurable -সহনীয় /টেকসই 6: gregarious -মিশুক /সামাজিক 7: Introverted -অন্তর্মুখী ব্যক্তি (আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা চেতনা ) 8: Alleviate -উপশম করা 9: Aggravate -অধিক গুরুতর/ শোচনীয় করে তোলা 10: Elevate -উত্তোলন করা,উন্নীত করা 11: Desultory -নিয়মশৃংখলাহীন 12: Methodical -সুশৃংখল 13: Integral -অপরিহার্য অংশ 14: Dissipate – দূর করা/অপচয় করা 15: Exempt -রেহাই /অব্যহতি দেয়া 17: Obliged -বাধিত বা ঋণী হয়েছে এমন 18: Steadfast -অবিচলিত 19: Valiant -সাহসী 20: Repute -সুখ্যাতি 21: Susceptible -স্পর্শকাতর 22: opaque- অস্বচ্ছ 24: Tepid -অল্প গরম বা কুসুম কুসুম গরম 25: Seething -ফুটে উপচে পড়া এমন 26: Intimate -অন্তরঙ্গ 27: Turbid – ঘোলাটে 28: Swollen – ফোলা বা ফুলে যাওয়া 29: Accretion -সংযোজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি 30: Procession : মিছিল বা শোভাযাত্রা 31: Applaud -প্রশংসা 32: Evasion -এড়িয়ে যাওয়া 33: Transmit -প্রেরণ বা হস্তান্তর করা 34: Obscure -অন্ধকার 35: Withhold -প...

সহজে ইংরেজি বাক্য গঠন ও কথা বলার উপায়

ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলতে নিচের Structures গুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ: ★RULE:1 কোনো কিছু প্রয়োজন বুঝাতে,  আমরা need to use করব। sub+need to+verb1 I need to learn English. আমার ইংরেজি শিখা প্রয়োজন। I need to buy a book. আমার একটি বই কিনা প্রয়োজন। I need to help him. আমার তাকে সাহায্য করা প্রয়োজন। I need to do the work. আমার কাজটি করা প্রয়োজন। ★RULE:2 ☞I am having a hard time+ ing যুক্ত verb(কোন কিছু করতে সমস্যা হচ্ছে) 1.I am having a hard time understanding my friends.( আমার বন্ধুদের বুঝতে আমার সমস্যা হচ্ছে ) 2.I am having a hard time downloading songs.( আমার গান গুলি ডাউনলোড করতে সমস্যা হচ্ছে) 3..I am having a hard time answering your questions.( তোমার প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে আমার সমস্যা হচ্ছে)। Similarly, I am having a hard time understanding the rules. I am having a hard time browsing internet. ★ RULE:3 ☞There is something wrong with + noun.( কোন কিছুতে সমস্যা হয়েছে) 1. There is something wrong with computer.(আমার কম্পিউটার এ সমস্যা হয়েছে) 2. There is something wrong with my mobi...