Skip to main content

BIMSTEC & Bangladesh

 💠 বিমসটেক (BIMSTEC) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (নোট আকারে)


↪️ পূর্ণরূপ ও অর্থ  

পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation (বঙ্গোপসাগর উদ্যোগ বহু-খাতভিত্তিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা)।  

অর্থ: বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী ও সংলগ্ন দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত একটি আঞ্চলিক সংস্থা।  


↪️ প্রতিষ্ঠা  

তারিখ: ৬ জুন, ১৯৯৭।  

ঘোষণা: ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত।  

প্রাথমিক নাম: BIST-EC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation)।  

নামের পরিবর্তন:  

১৯৯৭ সালে মিয়ানমারের অন্তর্ভুক্তির পর BIMST-EC।  

২০০৪ সালে নেপাল ও ভুটানের যোগদানের পর BIMSTEC।  


↪️ বর্তমান চেয়ারম্যানশিপ  

BIMSTEC-এর চেয়ারম্যানশিপ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ইংরেজি বর্ণানুক্রমিক ক্রমে ঘোরে।  

২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাইল্যান্ড ২০২২-২০২৪ সময়কালে চেয়ারম্যানশিপে ছিল।  

৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন (২-৪ এপ্রিল ২০২৫ ব্যাংকক) অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।  

এটি বাংলাদেশের পালা হিসেবে বর্ণানুক্রমিক ক্রমে এসেছে।  


↪️ বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল  

BIMSTEC-এর বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল হলেন ইন্দ্র মণি পাণ্ডে (ভারত)।  

তিনি ৪ জানুয়ারি ২০২৪-এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তাঁর মেয়াদ তিন বছরের জন্য অর্থাৎ ২০২৭ সাল পর্যন্ত।  


↪️ সদস্য দেশ  

মোট ৭টি দেশ:  

1. বাংলাদেশ  

2. ভুটান  

3. ভারত  

4. মিয়ানমার  

5. নেপাল  

6. শ্রীলঙ্কা  

7. থাইল্যান্ড  

ভৌগোলিক অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়া (৫টি দেশ) ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (২টি দেশ) সংযোগকারী সেতু।  


↪️ সদর দপ্তর  

অবস্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।  

প্রতিষ্ঠা: ২০১৪ সালে স্থায়ী সচিবালয় চালু।  

ভারতের অবদান: মোট ব্যয়ের ৩২% ভারত প্রদান করে।  


↪️ উদ্দেশ্য  

আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।  

সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সমতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সহযোগিতা প্রচার।  

শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সামাজিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা।  

বৈশ্বিক বাণিজ্যে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের সম্ভাবনা কাজে লাগানো।  


↪️ সহযোগিতার ক্ষেত্র  

প্রাথমিকভাবে ৬টি: বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শক্তি, পরিবহন, পর্যটন, মৎস্য।  

বর্তমানে ৭টি (২০২১ সালে পুনর্গঠন):  

1. বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন (বাংলাদেশ)  

2. পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন (ভুটান)  

3. নিরাপত্তা (ভারত)  

4. কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা (মিয়ানমার)  

5. মানব সম্পর্ক (নেপাল)  

6. বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন (শ্রীলঙ্কা)  

7. পর্যটন (থাইল্যান্ড)  

মোট ক্ষেত্র (পূর্বে): ১৪টি (২০০৮ পর্যন্ত)।  


↪️ জনসংখ্যা ও অর্থনীতি  

জনসংখ্যা: প্রায় ১.৭৩ বিলিয়ন (বিশ্বের ২২% জনসংখ্যা)।  

মোট জিডিপি: ৫.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০২৩ অনুযায়ী)।  

বাণিজ্য: বিশ্বের ২৫% পণ্য বঙ্গোপসাগর দিয়ে পরিবহন হয়।  


↪️ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা  

প্রথম শীর্ষ সম্মেলন: ৩১ জুলাই, ২০০৪ (ব্যাংকক)।  

৫ম শীর্ষ সম্মেলন: ৩০ মার্চ, ২০২২ (কলম্বো, ভার্চুয়াল)।  

৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন: ২-৪ এপ্রিল, ২০২৫ (ব্যাংকক, থাইল্যান্ড)।  

চার্টার কার্যকর: ২০ মে, ২০২৪।  


↪️ প্রধান সম্মেলনের ফলাফল (২০২৫)  

BIMSTEC ঘোষণা।  

ব্যাংকক ভিশন ২০৩০।  

সমুদ্র পরিবহন চুক্তি।  

IORA ও UNODC-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক।  


↪️ ভারতের ভূমিকা  

নীতি: ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ ও ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির অংশ।  

নিরাপত্তা: সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ ও শক্তি খাতে নেতৃত্ব।  

প্রকল্প: কালাদান মাল্টিমোডাল প্রকল্প, ত্রিপক্ষীয় মহাসড়ক।  

চীনের প্রভাব মোকাবিলা: বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের বিকল্প।  


↪️ চ্যালেঞ্জ  

অগ্রগতির ধীরগতি: ২০ বছরে মাত্র ৪টি শীর্ষ সম্মেলন (২০১৮ পর্যন্ত)।  

সদস্যদের অবহেলা: থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার ASEAN-এর প্রতি বেশি মনোযোগী।  

বিস্তৃত ফোকাস: ১৪টি ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অভাব।  


↪️ তুলনা (SAARC vs BIMSTEC)  

সদস্য: SAARC-এ ৮টি দেশ (পাকিস্তানসহ), BIMSTEC-এ ৭টি।  

কার্যকারিতা: SAARC ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বে অচল, BIMSTEC তুলনামূলকভাবে সক্রিয়।  

ফোকাস: BIMSTEC দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগকারী।  


↪️ সম্ভাবনা  

বঙ্গোপসাগরকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা।  

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) ও পরিবহন সংযোগ বৃদ্ধি।  

জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা।  


এই নোটগুলো BIMSTEC-এর সার্বিক চিত্র, গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরে।


#বিমসটেক #BIMSTEC #dryounus

Comments

Popular posts from this blog

পৃথিবীর কাল্পনিক রেখাসমূহ |

 ::: সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে কোনো একটি স্থানকে নির্দিষ্ট করতে হলে বা এর অবস্থান জানতে হলে আমাদের সবার জাগে যে বিষয়গুলো জানতে হবে তা হলো অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা। দ্রাঘিমারেখার অবস্থান থেকে কোনো স্থানের সময় জানা যায়। অক্ষরেখার সাহায্যে যেমন নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থান জানা যায় তেমনি মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে অবস্থান জানা যায়।   °°অক্ষরেখা (Latitude) পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে। এই অক্ষের উত্তর- প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে। দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে। বিষুবরেখা নিরক্ষরেখা, নিরক্ষবৃত্ত, মহাবৃত্ত, গুরুবৃত্ত প্রভৃতি নামেও পরিচিত। বিষুবরেখা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরভাগ, আফ্রিকার মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। বিষুব রেখার উপর অবস্থিত দেশসমূহ- ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, গ্যাবন, কঙ্গো, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, উগান্ডা, কেনিয়া, সোমালিয়া, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া এব...

বিগত ১০ বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ১০০০ Vocabulary.

 =============================== 1: Fortuitous -আকস্মিক 2: Inherent – স্বাভাবিক 3: Legible -সহজপাঠ্য 4: Indelible -অমোচোনীয় 5: Endurable -সহনীয় /টেকসই 6: gregarious -মিশুক /সামাজিক 7: Introverted -অন্তর্মুখী ব্যক্তি (আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা চেতনা ) 8: Alleviate -উপশম করা 9: Aggravate -অধিক গুরুতর/ শোচনীয় করে তোলা 10: Elevate -উত্তোলন করা,উন্নীত করা 11: Desultory -নিয়মশৃংখলাহীন 12: Methodical -সুশৃংখল 13: Integral -অপরিহার্য অংশ 14: Dissipate – দূর করা/অপচয় করা 15: Exempt -রেহাই /অব্যহতি দেয়া 17: Obliged -বাধিত বা ঋণী হয়েছে এমন 18: Steadfast -অবিচলিত 19: Valiant -সাহসী 20: Repute -সুখ্যাতি 21: Susceptible -স্পর্শকাতর 22: opaque- অস্বচ্ছ 24: Tepid -অল্প গরম বা কুসুম কুসুম গরম 25: Seething -ফুটে উপচে পড়া এমন 26: Intimate -অন্তরঙ্গ 27: Turbid – ঘোলাটে 28: Swollen – ফোলা বা ফুলে যাওয়া 29: Accretion -সংযোজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি 30: Procession : মিছিল বা শোভাযাত্রা 31: Applaud -প্রশংসা 32: Evasion -এড়িয়ে যাওয়া 33: Transmit -প্রেরণ বা হস্তান্তর করা 34: Obscure -অন্ধকার 35: Withhold -প...

সহজে ইংরেজি বাক্য গঠন ও কথা বলার উপায়

ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলতে নিচের Structures গুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ: ★RULE:1 কোনো কিছু প্রয়োজন বুঝাতে,  আমরা need to use করব। sub+need to+verb1 I need to learn English. আমার ইংরেজি শিখা প্রয়োজন। I need to buy a book. আমার একটি বই কিনা প্রয়োজন। I need to help him. আমার তাকে সাহায্য করা প্রয়োজন। I need to do the work. আমার কাজটি করা প্রয়োজন। ★RULE:2 ☞I am having a hard time+ ing যুক্ত verb(কোন কিছু করতে সমস্যা হচ্ছে) 1.I am having a hard time understanding my friends.( আমার বন্ধুদের বুঝতে আমার সমস্যা হচ্ছে ) 2.I am having a hard time downloading songs.( আমার গান গুলি ডাউনলোড করতে সমস্যা হচ্ছে) 3..I am having a hard time answering your questions.( তোমার প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে আমার সমস্যা হচ্ছে)। Similarly, I am having a hard time understanding the rules. I am having a hard time browsing internet. ★ RULE:3 ☞There is something wrong with + noun.( কোন কিছুতে সমস্যা হয়েছে) 1. There is something wrong with computer.(আমার কম্পিউটার এ সমস্যা হয়েছে) 2. There is something wrong with my mobi...