Skip to main content

গুরুত্বপূর্ণ সমাস নির্ণয়ের টেকনিক

 💠উপপদ_তৎপুরুষ_সমাস💠


এক কথায় প্রকাশ দিয়ে যত শব্দ থাকবে তা উপপদ তৎপুরুষ সমাস


উদা: 


জলে চরে যা-জলচর


জল দেয় যে-জলদ


পঙ্কে(কাঁদায়)জন্মে যা-পঙ্কজ


ছা দিয়ে পোষা-ছা-পোষা


ছাই থেকে উৎপন্ন যে পোকা-ছারপোকা


ধামাধরা-ধামা ধরে যে


বর্ণ লুকায় যে চোর-বর্ণচোরা


💠বহুব্রীহি_সমাস💠


💠বহুব্রীহি_সমাস_যেভাবে_সহজে_চিনবেন💠


যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনটিরই অর্থ না বুঝিয়ে, তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ , সমস্ত পদকে বুঝিয়ে থাকে,তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে


উদা: 

খোশ মেজাজ যার--খোশমেজাজ

এখানে,পূর্বপদ খোশ মানে,খুশি আবার মেজাজ মানে,মানসিক অবস্থা।এবার দেখুন, সমস্তপদে খুশি কেও বোঝায়নি আবার মেজাজকেও বোঝায়নি

অর্থাৎ,খোশমেজাজ কে বুঝিয়েছে।মানে,ভালো মেজাজ ওয়ালা ব্যক্তিকে বুঝিয়েছে


আশীতে বিষ যার-আশীবিষ

এখানে,পূর্বপদ আশী মানে,সাপের বিষ দাঁত আবার বিষ মানে,বিষ বা বিষাক্ত কিছু। এবার দেখুন, সমস্তপদে আশীবিষ মানে,সাপ অর্থাৎ,সাপের বিষ দাঁতকেও বোঝায়নি আবার বিষকেও বোঝায়নি, বুঝিয়েছে সাপকে


হত হয়েছে শ্রী যার--হতশ্রী

এখানে,হত মানে,চুরি আবার শ্রী মানে,মুখমন্ডল বা সৌন্দর্য।এবার দেখুন,সমস্তপদে হতশ্রী মানে,যে খুব

অসহায়,যার কিছু নেই। অর্থাৎ,হতকেও বোঝায়নি আবার মুখকেও বোঝায়নি,বুঝিয়েছে যার কিছু নেই


ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়


উদা.


লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই-লাঠালাঠি

হাতে হাতে যে যুদ্ধ-হাতাহাতি

কানে কানে যে শব্দ-কানাকানি


💠নিত্যসমাস💠 

নিত্য সমাসের নিম্নোক্ত ছয়টা উদা.এর বাহিরে পরীক্ষায় সাধারণত আসে না


যেভাবে মনে রাখবেন


আমরা গ্রামে নিত্য কালসাপ দর্শন করি বিরানব্বই টাকার টিকেটে


ব্যাখ্যাঃ

আমরা>আমি, তুমি ও সে=আমরা


গ্রামে>গ্রামান্তর, গৃহান্তর


নিত্য >নিত্য সমাস


কালসাপ> কালসাপ


দর্শন>দর্শনমাত্র


বিরানব্বই>দুই এবং নব্বই=বিরানব্বই 


💠প্রাদি_সমাস💠


প্রাদি সমাসের সাথে অব্যয়ীভাব সমাসের উদা.-এর সাথে কিছুটা মিল আছে।তাই প্রাদি সমাসের নিম্নোক্ত কৌশলটি শিখে নিলে অব্যয়ীভাব সমাসে আর কোনো কনফিউশন থাকবে না।প্রাদি সমাসের এ উদাহরণগুলো ছাড়া পরীক্ষায় এর বাহিরে আসে না


টেকনিকঃ


বচন মিয়া প্রভাতে পরিভ্রমণ করে শরীরে গতি ও তাপ উৎপন্ন করল


ব্যাখ্যাঃ বচন>প্রবচন

প্রভাতে>প্রভাত;পরিভ্রমণ

গতি>প্রগতি

তাপ>অনুতাপ


💠অব্যয়ীভাব_সমাসঃ💠


শুধু মনে রাখবেন,অব্যয়ীভাব সমাসের আগে নিম্নোক্ত উপসর্গ গুলো বসে


উপ, প্রতি,নি,আ,উৎ,অনু,পরি,প্র


এবার দেখুন--সিরিয়ালি উদাহরণ:

উপ--উপকন্ঠ,উপকূল,উপশহর,উপগ্রহ,

উপবন,উপনদী


প্রতি--প্রতিদিন,প্রতিক্ষণে,প্রতিবাদ,প্রতিকূল

প্রতিচ্ছায়া,প্রতিচ্ছবি, প্রতিপক্ষ

প্রত্যুত্তর-প্রতি+উত্তর,প্রতিবিম্ব


নি--নিরামিষ,নির্ভাবনা, নির্জল,নিরুৎসাহ


আ-আসমুদ্রহিমাচল,আপাদমস্তক,আনত,

আরক্তিম,আজানুলম্বিত,আমরণ


উৎ-উদ্বেল,উচ্ছৃঙ্খল এগুলো সন্ধিবিচ্ছেদ করলে উৎ উপসর্গ পাবেন


অনু--অনুক্ষণ,অনুগমন,অনুধাবন


পরি--পরিপূর্ণ,সম্পূর্ণ(সমগ্র বুঝালে)


প্র-প্রপিতামহ,পরোক্ষ


ব্যতিক্রম শুধু ১ টা--যথা- যথারীতি, যথাসাধ্য,যথাবিধি, যথাযোগ্য


💠উপমিত_ও_উপমান_সমাস💠


উপমিত:ব্যাসবাক্যের বিবৃতিটি মিথ্যা বা অসমান হলে উপমিত কর্মধারয়


উদা. মুখ চন্দ্রের ন্যায়=মুখচন্দ্র ব্যাখ্যা:

বিবৃতিটি মিথ্যা;কারণ

মুখ কখনো চন্দ্রের মতো হতে পারে না।

অতএব,বিবৃতিটি মিথ্যা তাই এটি উপমিত

কর্মধারয়


পুরুষ সিংহের ন্যায়=পুরুষসিংহ

ব্যাখ্যা: বিবৃতিটি মিথ্যা;কারণ পুরুষ সিংহের মতো হতে পারে না।এটি অসমান বিবৃতি। পুরুষ একশ্রেণির আর সিংহ অন্য শ্রেণির


উপমান:ব্যাসবাক্যের বিবৃতিটি সত্য বা সমান হলে,উপমান কর্মধারয়


উদা. অরুণের ন্যায়

রাঙ্গা=অরুণ রাঙ্গা


ব্যাখ্যা: বিবৃতিটি সত্য

কারণ,অরুণ মানে লাল আবার রাঙ্গা মানেও লাল সুতরাং সত্য বিবৃতি তাই উপমান কর্মধারয় সমাস হবে


তুষারের ন্যায় শুভ্র=তুষারশুভ্র

ব্যাখ্যা: বিবৃতিটি সত্য কারণ তুষার যেমন সাদা ঠিক তেমনি শুভ্রের রংও সাদা। অতএব,এটি উপমান কর্মধারয়

Comments

Popular posts from this blog

বিগত ১০ বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ১০০০ Vocabulary.

 =============================== 1: Fortuitous -আকস্মিক 2: Inherent – স্বাভাবিক 3: Legible -সহজপাঠ্য 4: Indelible -অমোচোনীয় 5: Endurable -সহনীয় /টেকসই 6: gregarious -মিশুক /সামাজিক 7: Introverted -অন্তর্মুখী ব্যক্তি (আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা চেতনা ) 8: Alleviate -উপশম করা 9: Aggravate -অধিক গুরুতর/ শোচনীয় করে তোলা 10: Elevate -উত্তোলন করা,উন্নীত করা 11: Desultory -নিয়মশৃংখলাহীন 12: Methodical -সুশৃংখল 13: Integral -অপরিহার্য অংশ 14: Dissipate – দূর করা/অপচয় করা 15: Exempt -রেহাই /অব্যহতি দেয়া 17: Obliged -বাধিত বা ঋণী হয়েছে এমন 18: Steadfast -অবিচলিত 19: Valiant -সাহসী 20: Repute -সুখ্যাতি 21: Susceptible -স্পর্শকাতর 22: opaque- অস্বচ্ছ 24: Tepid -অল্প গরম বা কুসুম কুসুম গরম 25: Seething -ফুটে উপচে পড়া এমন 26: Intimate -অন্তরঙ্গ 27: Turbid – ঘোলাটে 28: Swollen – ফোলা বা ফুলে যাওয়া 29: Accretion -সংযোজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি 30: Procession : মিছিল বা শোভাযাত্রা 31: Applaud -প্রশংসা 32: Evasion -এড়িয়ে যাওয়া 33: Transmit -প্রেরণ বা হস্তান্তর করা 34: Obscure -অন্ধকার 35: Withhold -প...

সহজে ইংরেজি বাক্য গঠন ও কথা বলার উপায়

ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলতে নিচের Structures গুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ: ★RULE:1 কোনো কিছু প্রয়োজন বুঝাতে,  আমরা need to use করব। sub+need to+verb1 I need to learn English. আমার ইংরেজি শিখা প্রয়োজন। I need to buy a book. আমার একটি বই কিনা প্রয়োজন। I need to help him. আমার তাকে সাহায্য করা প্রয়োজন। I need to do the work. আমার কাজটি করা প্রয়োজন। ★RULE:2 ☞I am having a hard time+ ing যুক্ত verb(কোন কিছু করতে সমস্যা হচ্ছে) 1.I am having a hard time understanding my friends.( আমার বন্ধুদের বুঝতে আমার সমস্যা হচ্ছে ) 2.I am having a hard time downloading songs.( আমার গান গুলি ডাউনলোড করতে সমস্যা হচ্ছে) 3..I am having a hard time answering your questions.( তোমার প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে আমার সমস্যা হচ্ছে)। Similarly, I am having a hard time understanding the rules. I am having a hard time browsing internet. ★ RULE:3 ☞There is something wrong with + noun.( কোন কিছুতে সমস্যা হয়েছে) 1. There is something wrong with computer.(আমার কম্পিউটার এ সমস্যা হয়েছে) 2. There is something wrong with my mobi...

পৃথিবীর কাল্পনিক রেখাসমূহ |

 ::: সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে কোনো একটি স্থানকে নির্দিষ্ট করতে হলে বা এর অবস্থান জানতে হলে আমাদের সবার জাগে যে বিষয়গুলো জানতে হবে তা হলো অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা। দ্রাঘিমারেখার অবস্থান থেকে কোনো স্থানের সময় জানা যায়। অক্ষরেখার সাহায্যে যেমন নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থান জানা যায় তেমনি মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে অবস্থান জানা যায়।   °°অক্ষরেখা (Latitude) পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে। এই অক্ষের উত্তর- প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে। দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে। বিষুবরেখা নিরক্ষরেখা, নিরক্ষবৃত্ত, মহাবৃত্ত, গুরুবৃত্ত প্রভৃতি নামেও পরিচিত। বিষুবরেখা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরভাগ, আফ্রিকার মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। বিষুব রেখার উপর অবস্থিত দেশসমূহ- ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, গ্যাবন, কঙ্গো, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, উগান্ডা, কেনিয়া, সোমালিয়া, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া এব...